⚠️ ইন্টারনেট সংযোগ নেই — অফলাইনে আছেন

শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী- ২০২১

 আজকে শীতবস্ত্র বিতরণে সমাপ্তি ঘটলো।যারা আসতে পারে নাই তাদের বাড়িতে গিয়ে পৌছে দিলাম ।

২০২১ সালে কিছু পাই না পাই অনেক দোয়া পেয়েছি অনেক অভিজ্ঞতা পেয়েছি ।

একটা রাতের অভিজ্ঞতা শেয়ার করি।

রাত প্রায় আটটা ।কম্বলের স্লিপ বিতরণ শেষ করতে হবে  রাতের মধ্যেই ।কারণ আগামীকাল অনুষ্ঠান।প্রচুর ঠান্ডা,দুপুর থেকে বিতরণ করতে করতে ক্ষুধায় পেটের অবস্থা খারাপ।খাওয়ার ও সময় নেই রাতের মধ্যেই রশিদ বিতরণ শেষ করতে হবে,খেতে গেলেই অনেক সময় নষ্ট হবে  আর গভীর রাতেও ঘুমানো কাউকে ডেকে স্লিপ দেওয়া ঠিক হবে না।

আমি আমার ফ্রেন্ড সম্রাট, দিদার  আমার চাচাতো ছোট ভাই স্বপন।দিদারদের পাড়ায় স্লিপ দিতে  রাত নয়টা পেটের অবস্থা আরো খারাপ ফোন দিলাম আম্মুকে বললাম চারজন ভাত খাবো একসাথে আমাদের বাড়িতে। কারণ এরপরে আমাদের পাড়ায় স্লিপ বিতরণের পালা।কিন্তু দিদার দের পাড়ায় শেষ করতে একটু লেট হলো ভাত খাওয়া হলো দিদারদের বাড়িতে।

বৃদ্ধা মহিলাকে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে 

খেয়েই চললাম হিন্দু পাড়ার উদ্দেশ্যে পেট ভরা থাকলে রাতের সাথে কোন ঝামেলা নেই।


হিন্দুপাড়ায় স্লিপ দেওয়া পরেই মনে হলো দুইটা মাকসের বক্স কিনতে হবে।রাত ১০।ঠান্ডায় তাড়াতাড়ি সব দোকান বন্ধ হয়।


রওনা দিলাম সবাই মিলে বড়ভিটার উদ্দেশ্যে ।মাকস কিনে এসে আমাদের বাড়ি তে রেখে স্লিপ বিতরণ করলাম।এখানে আর একটা অভিজ্ঞতার কথা বলি স্লিপ দিলাম এক বাড়িতে দুই পরিবারের এক পরিবার কে।তখন আর এক পরিবারের মন খারাপ আমাদের বলেই ফেললো আর কোন দিন ভোট চাইতে গেলে আমাদের মুখে গুড়াবে।পরে মহিলাকে বোঝানোর চেষ্টা করছি।তারপর রাত এগারোটা বেজে গেছে ফিরে এলাম আমাদের বাড়িতে হাত মুখ ধুয়ে সবাই খাওয়া করলাম।রাতে আর কারো বাড়িতে যাওয়া সম্ভব না।সিদ্ধান্ত নিলাম পরের দিন সকালে স্লিপ দেওয়া শেষ করবো।


শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী 
স্থান: ভেড়ভেড়ী মাঝাপাড়া স্কুল এন্ড কলেজ 



অনেক কষ্টে পরে সফল হয়েছি আমরা সামান্য সময়ের জন্য ।


সবার কাছে শুধু দোয়াই চেয়েছি দোয়া করবেন আমাদের জন্য।


মোঃ ইন্তেজামুল হক রানা 

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

🌐 ✉️ 💬