সং বি ধা ন
C O N S T I T U T I O N
( সর্বশেষ খসড়া )
| প্রতিষ্ঠাকাল২০২০ ইং | স্লোগানদেশ ও মানুষের কল্যাণে | সংস্করণএপ্রিল ২০২৬ |
- প্রস্তাবনা — Preamble
- অধ্যায় ১ — নাম, কার্যালয় ও পরিচিতি
- অধ্যায় ২ — লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
- অধ্যায় ৩ — সদস্যপদ — যোগ্যতা ও বিভাগ
- অধ্যায় ৪ — সদস্যদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা
- অধ্যায় ৫ — সাধারণ সদস্য থেকে সভাপতি — নেতৃত্বের পথ
- অধ্যায় ৬ — তত্ত্বাবধায়ক পরিষদ
- অধ্যায় ৭ — উপদেষ্টা পরিষদ
- অধ্যায় ৮ — পরিচালনা কমিটি ও কর্মবণ্টন
- অধ্যায় ৯ — স্বেচ্ছাসেবক ব্যবস্থাপনা
- অধ্যায় ১০ — আর্থিক স্বচ্ছতা ও লেনদেন ব্যবস্থাপনা
- অধ্যায় ১১ — সাধারণ সভা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া
- অধ্যায় ১২ — শাখা গঠন ও ব্যবস্থাপনা
- অধ্যায় ১৩ — আচরণবিধি, শৃঙ্খলা ও অভিযোগ নিষ্পত্তি
- অধ্যায় ১৪ — পুরস্কার, সম্মাননা ও স্বীকৃতি
- অধ্যায় ১৫ — সংবিধান সংশোধন ও বিলুপ্তি বিধান
- উপসংহার ও স্বাক্ষরপত্র
আমরা বিশ্বাস করি — প্রতিটি মানুষের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা, অসহায়ের পাশে দাঁড়ানো এবং একটি সুন্দর আদর্শ সমাজ গড়ে তোলা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা এই প্রতিশ্রুতি নিয়ে এগিয়ে চলি — দেশের প্রতিটি কোণে মানবতার আলো ছড়িয়ে দিতে।
এই সংবিধান আমাদের সংগঠনের মূল ভিত্তি, পথপ্রদর্শক এবং সকল কার্যক্রমের আইনি দলিল। এতে একজন সাধারণ মানুষ কীভাবে এই পরিবারের অংশ হয়ে দেশের জন্য কাজ করতে পারেন, কীভাবে নিজের মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে সর্বোচ্চ নেতৃত্বে পৌঁছাতে পারেন — তার সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে।
আমাদের সংগঠন কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত নয়। আমরা একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক, মানবিক ও কল্যাণমূলক সামাজিক সংগঠন — যেখানে বাংলাদেশের প্রতিটি শ্রেণির মানুষের জন্য দরজা উন্মুক্ত।
ধারা 1: সংগঠনের নাম: রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ (সংক্ষেপে: RDB)।
ধারা 2: স্লোগান: দেশ ও মানুষের কল্যাণে।
ধারা 3: প্রতিষ্ঠাকাল: ২০২০ ইংরেজি।
ধারা 4: প্রধান কার্যালয়: বাংলাদেশ। প্রয়োজনে যেকোনো জেলা, উপজেলা ও বিভাগীয় শহরে শাখা কার্যালয় স্থাপন করা যাবে।
ধারা 5: আইনি অবস্থান: এটি একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক, মানবিক ও কল্যাণমূলক সামাজিক সংগঠন। ভবিষ্যতে সরকার-অনুমোদিত এনজিও হিসেবে নিবন্ধন গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
ধারা 6: লোগো ও প্রতীক: সংগঠনের অফিশিয়াল লোগো তত্ত্বাবধায়ক পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হবে এবং সকল দাপ্তরিক কাগজপত্রে ব্যবহৃত হবে।
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| সংগঠনের নাম | রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ (RDB) |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ২০২০ ইংরেজি |
| স্লোগান | দেশ ও মানুষের কল্যাণে |
| ধরন | অরাজনৈতিক, অলাভজনক, মানবিক সামাজিক সংগঠন |
| প্রধান কার্যালয় | বাংলাদেশ |
| ওয়েবসাইট | শীঘ্রই চালু হবে |
ধারা 7: অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা。
ধারা 8: শিক্ষা সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও কিশোরদের শিক্ষা নিশ্চিত করা।
ধারা 9: নিয়মিত রক্তদান কর্মসূচি, চিকিৎসা সহায়তা ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ।
ধারা 10: প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে দ্রুত ত্রাণ সহায়তা প্রদান।
ধারা 11: দেশপ্রেম, মানবিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধ সমৃদ্ধ একটি আদর্শ সমাজ গঠন।
ধারা 12: বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান।
ধারা 13: পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও টেকসই উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখা।
| ক্রম | পরিকল্পনা |
|---|---|
| ১ | প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় সক্রিয় সদস্য নেটওয়ার্ক ও শাখা কার্যালয় স্থাপন |
| ২ | রক্তদান নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করে ২৪/৭ জরুরি রক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা |
| ৩ | বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরিতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্ব |
| ৪ | সম্পূর্ণ অনলাইন স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল অ্যাকাউন্টিং সিস্টেম চালু করা |
| ৫ | দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি কর্মসূচি চালু করা |
| ৬ | সরকার-অনুমোদিত এনজিও হিসেবে নিবন্ধন সম্পন্ন করা |
| ৭ | একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম (ওয়েবসাইট ও অ্যাপ) চালু করা |
| ৮ | আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলির সাথে সহযোগিতার সম্পর্ক স্থাপন করা |
ধারা 14: বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে।
ধারা 15: বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।
ধারা 16: সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের প্রতি আন্তরিকভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।
ধারা 17: সংগঠনের কোনো বর্তমান সদস্যের পরিচয় ও সুপারিশ থাকতে হবে।
ধারা 18: কোনো ফৌজদারি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়া যাবে না।
ধারা 19: নির্ধারিত নিবন্ধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।
| সদস্যের শ্রেণি | বিবরণ | মাসিক চাঁদা |
|---|---|---|
| সাধারণ সদস্য | মূল সদস্যপদ — সকল কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। | সংগঠন নির্ধারিত |
| সক্রিয় সদস্য | কমপক্ষে ৬ মাস চাঁদা পরিশোধ ও নিয়মিত কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী। | সংগঠন নির্ধারিত |
| আজীবন সদস্য | এককালীন নির্ধারিত পরিমাণ অনুদানে চিরস্থায়ী সদস্যপদ। | এককালীন |
| সম্মানসূচক সদস্য | বিশেষ অবদানের জন্য তত্ত্বাবধায়ক পরিষদ কর্তৃক মনোনীত। | প্রযোজ্য নয় |
ধারা 20: স্বেচ্ছায় ইস্তফা প্রদান করলে।
ধারা 21: পরপর তিন মাস চাঁদা প্রদান না করলে এবং কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না নিলে।
ধারা 22: সংগঠনের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা নিলে বা সংগঠনের ক্ষতি করলে।
ধারা 23: আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে এবং শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্তে বহিষ্কৃত হলে।
ধারা 24: ফৌজদারি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হলে।
ধারা 25: সংগঠনের যেকোনো সভায় উপস্থিত থাকার ও মতামত দেওয়ার অধিকার।
ধারা 26: সকল সাধারণ সদস্যের ভোটাধিকার এবং কমপক্ষে ১ বছরের সদস্যপদ পূর্ণ হলে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার।
ধারা 27: সংগঠনের যেকোনো কার্যক্রম, সিদ্ধান্ত বা হিসাব সম্পর্কে জানার অধিকার।
ধারা 28: অন্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার এবং ন্যায্য শুনানির অধিকার।
ধারা 29: স্বল্প সুদে ঋণ গ্রহণের সুযোগ — শর্ত: সদস্যপদ কমপক্ষে ২ বছর পূর্ণ হতে হবে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফেরত বাধ্যতামূলক এবং পরিচালনা কমিটির অনুমোদন আবশ্যক।
ধারা 30: সংগঠন ভবিষ্যতে এনজিও হলে সদস্যরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
ধারা 31: স্বাস্থ্যসেবা, রক্তদান নেটওয়ার্ক, চিকিৎসা সহায়তা ও বিনামূল্যে ওষুধ প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার।
ধারা 32: শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমে বিনামূল্যে বা রেয়াতমূল্যে অংশগ্রহণ।
ধারা 33: দুর্যোগ বা ব্যক্তিগত বিপদে সংগঠনের সহায়তা পাওয়ার অধিকার।
ধারা 34: সংগঠনের পরিচয়পত্র বহন ও সুবিধা গ্রহণ।
রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ-এ যেকোনো সাধারণ সদস্য তাঁর মেধা, পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও নেতৃত্বের গুণে সর্বোচ্চ পদে পৌঁছাতে পারবেন। এখানে বংশপরিচয়, অর্থবিত্ত বা পরিচিতির চেয়ে কাজ ও যোগ্যতাই মুখ্য।
| ধাপ | পদবি | প্রয়োজনীয় যোগ্যতা | পদোন্নতির উপায় |
|---|---|---|---|
| ১ | সাধারণ সদস্য | নিবন্ধন সম্পন্ন ও চাঁদা পরিশোধ। | আবেদনের মাধ্যমে যোগদান |
| ২ | সক্রিয় সদস্য | ৬ মাস চাঁদা ও ন্যূনতম ৫টি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ। | স্বয়ংক্রিয় পদোন্নতি |
| ৩ | টিম লিডার | ১ বছর সক্রিয় থেকে কমপক্ষে ৫ জন নতুন সদস্য সংগ্রহ। | পরিচালনা কমিটির মনোনয়নে |
| ৪ | বিভাগীয় প্রধান | ২ বছর সক্রিয়, ১০+ সদস্য নেটওয়ার্ক ও একটি বড় কার্যক্রম পরিচালনা। | সভাপতির অনুমোদনে |
| ৫ | সহ-সভাপতি | ৩ বছর সক্রিয়, বিভাগে সাফল্য ও নেতৃত্বের দক্ষতা প্রমাণিত। | তত্ত্বাবধায়ক পরিষদের অনুমোদনে |
| ৬ | সভাপতি | কমপক্ষে ৪ বছর সক্রিয়, পূর্বে ১টি উচ্চতর পদে দায়িত্ব পালন। | সকল সদস্যের সরাসরি ভোটে |
ধারা 35: তত্ত্বাবধায়ক ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথ প্রস্তাবে প্রার্থী তালিকা প্রণীত হবে।
ধারা 36: প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই শেষে সকল নিবন্ধিত সদস্যের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
ধারা 37: নির্বাচিত সভাপতি তাঁর পছন্দ ও পরিষদের অনুমোদনে অবশিষ্ট পদে কমিটি গঠন করবেন।
ধারা 38: কমিটির মেয়াদ ২ বছর। একই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ২ মেয়াদ সভাপতি পদে থাকতে পারবেন।
ধারা 39: নির্বাচনের ৩০ দিন আগে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করতে হবে।
ধারা 40: নির্বাচনের ফলাফল সদস্যদের নিকট স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করতে হবে।
ধারা 41: তত্ত্বাবধায়ক পরিষদ ৫ (পাঁচ) জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নিয়ে গঠিত, যারা সংগঠনটির জন্মলগ্ন থেকে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে আসছেন।
ধারা 42: এই পরিষদ সংগঠনের সর্বোচ্চ নৈতিক কর্তৃপক্ষ — তারা মূল দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করেন।
- সংগঠনের সামগ্রিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করা।
- সভাপতি নির্বাচনে প্রার্থী সুপারিশ ও যোগ্যতা নিশ্চিত করা।
- দায়িত্বশীল ও সক্রিয় সদস্যদের বার্ষিক সম্মাননা প্রদান।
- পরিচালনা কমিটিকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া।
- পরিচালনা কমিটি বিলুপ্ত হলে নতুন কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে সংগঠন পরিচালনা করা।
- সংবিধান সংশোধন প্রস্তাব পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া।
- গুরুতর বিরোধ ও অভিযোগে চূড়ান্ত সালিশি ভূমিকা পালন করা।
ধারা 43: কোনো তত্ত্বাবধায়ক সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে পারবেন।
ধারা 44: কোনো তত্ত্বাবধায়ক সদস্য দীর্ঘমেয়াদী অক্ষম বা নিষ্ক্রিয় হলে অবশিষ্ট সদস্যদের সর্বসম্মতিতে একজন বরিষ্ঠ সক্রিয় সদস্যকে পরিষদে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।
ধারা 45: সমাজের বিশিষ্ট, অভিজ্ঞ ও গুণী ব্যক্তিদের নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হবে।
ধারা 46: শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, আইনজীবী, ব্যবসায়ী নেতা, সমাজসেবী ও অভিজ্ঞ প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব এই পরিষদের সদস্য হতে পারবেন।
ধারা 47: উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা সংগঠনের উন্নয়নে পরামর্শ, দিকনির্দেশনা ও সম্পদ সংগ্রহে সহায়তা করবেন।
ধারা 48: উপদেষ্টাগণ পরিচালনা কমিটির সভায় আমন্ত্রিত হতে পারবেন তবে ভোটাধিকার ভোগ করবেন না।
ধারা 49: তত্ত্বাবধায়ক পরিষদের অনুমোদনে নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হবে।
পরিচালনা কমিটি সংগঠনের কার্যনির্বাহী সংস্থা। এই কমিটি সংগঠনের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য দায়িত্বশীল।
| পদবি | মূল দায়িত্বসমূহ |
|---|---|
| সভাপতি | সংগঠনের সার্বিক নেতৃত্ব, প্রতিনিধিত্ব ও দিকনির্দেশনা প্রদান। সকল সভায় সভাপতিত্ব, কমিটি গঠন ও জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ। |
| সহ-সভাপতি | সভাপতির অনুপস্থিতিতে সকল দায়িত্ব পালন। বিশেষ প্রকল্প ও উপ-কমিটি তত্ত্বাবধান। |
| সাধারণ সম্পাদক | সংগঠনের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা, কার্যবিবরণী সংরক্ষণ, চিঠিপত্র ও যোগাযোগ নিশ্চিত করা। |
| সহ-সাধারণ সম্পাদক | সাধারণ সম্পাদককে সহায়তা এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন। |
| কোষাধ্যক্ষ | সকল আর্থিক লেনদেন রেকর্ড রাখা, হিসাব সংরক্ষণ, বার্ষিক বাজেট প্রস্তুত ও সভায় উপস্থাপন। |
| সাংগঠনিক সম্পাদক | সদস্য নিয়োগ, শাখা সম্প্রসারণ ও সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা। |
| প্রচার সম্পাদক | সামাজিক মাধ্যম, প্রেস বিজ্ঞপ্তি, ওয়েবসাইট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবস্থাপনা। |
| সমাজসেবা সম্পাদক | রক্তদান, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয়। |
| শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক | শিক্ষা কর্মসূচি, বৃত্তি, প্রশিক্ষণ কার্যশালা ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা। |
| আইটি ও ডিজিটাল সম্পাদক | ডিজিটাল সিস্টেম, অনলাইন রেকর্ড, লাইভ সম্প্রচার ও প্রযুক্তি সহায়তা নিশ্চিত করা। |
ধারা 50: প্রতি মাসে অন্তত একটি কমিটি সভা আয়োজন করা।
ধারা 51: সকল কার্যক্রম বাস্তবায়ন, প্রতিবেদন তৈরি ও সদস্যদের কাছে প্রকাশ করা।
ধারা 52: আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং স্বচ্ছ হিসাব নিকাশ পরিচালনা করা।
ধারা 53: জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া।
রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ বিশ্বাস করে প্রতিটি স্বেচ্ছাসেবক এই সংগঠনের মেরুদণ্ড। স্থায়ী সদস্য না হলেও স্বেচ্ছাসেবকদের অবদান সংগঠন পূর্ণ সম্মানের সাথে স্বীকার করে।
ধারা 54: ইভেন্ট ভলান্টিয়ার: বিশেষ অনুষ্ঠান বা কার্যক্রমে অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবক।
ধারা 55: ক্যাম্পেইন ভলান্টিয়ার: রক্তদান, ত্রাণ বিতরণ বা বিশেষ সামাজিক প্রচারাভিযানে কাজ করেন।
ধারা 56: টিম ভলান্টিয়ার: একটি নির্দিষ্ট বিভাগে (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইটি) দীর্ঘমেয়াদী কাজ করেন।
- সংগঠনের সামাজিক কর্মসূচি (রক্তদান, ত্রাণ, শিক্ষা) বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা।
- মাঠ পর্যায়ে সাধারণ মানুষের সাথে যোগাযোগ রাখা ও সমস্যা চিহ্নিত করা।
- নতুন সদস্য সংগ্রহ ও সংগঠনের প্রচারে সহায়তা করা।
- দুর্যোগ বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া।
- সংগঠনের মূল্যবোধ ও আচরণবিধি মেনে চলা।
- সার্ভিস আওয়ার্স সনদপত্র ও সরকারি/বেসরকারি চাকরিতে রেফারেন্স সুবিধা।
- বার্ষিক স্বেচ্ছাসেবক সম্মেলনে আমন্ত্রণ ও সম্মাননা।
- সংগঠনের সকল প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের সুযোগ।
- ৬ মাস নিয়মিত কাজ করার পর সদস্যপদ গ্রহণের অগ্রাধিকার।
রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ বিশ্বাস করে আর্থিক স্বচ্ছতাই সংগঠনের সবচেয়ে বড় শক্তি। প্রতিটি টাকার হিসাব সদস্যদের কাছে উন্মুক্ত থাকবে। কোনো একক ব্যক্তির হাতে অর্থ কেন্দ্রীভূত থাকবে না।
- সদস্যদের নিয়মিত মাসিক চাঁদা।
- আজীবন সদস্যপদ এককালীন ফি।
- বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও করপোরেট অনুদান।
- বিশেষ কার্যক্রম, ফান্ডরেইজিং ও চ্যারিটি ইভেন্ট।
- সরকারি ও আন্তর্জাতিক অনুদান (এনজিও নিবন্ধনের পর)।
ধারা 57: সংগঠনের নামে একটি যৌথ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে হবে, যেখানে যেকোনো উত্তোলনের জন্য সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ উভয়ের স্বাক্ষর আবশ্যক।
ধারা 58: সকল আয়-ব্যয় গুগল শিট বা অনুমোদিত অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যারে রেকর্ড করতে হবে এবং প্রতি মাসে সদস্যদের নিকট উন্মুক্ত করতে হবে।
ধারা 59: প্রতি তিন মাসে আর্থিক প্রতিবেদন সাধারণ সভায় উপস্থাপন ও সদস্যদের কাছে প্রকাশ করতে হবে।
ধারা 60: বার্ষিক অডিট পরিচালনা করতে হবে — একজন বাহ্যিক নিরীক্ষক দ্বারা।
ধারা 61: যেকোনো সদস্য যেকোনো সময় আর্থিক রেকর্ড দেখার অনুরোধ করতে পারবেন এবং ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তা সরবরাহ করতে হবে।
ধারা 62: ৫,০০০ টাকার বেশি যেকোনো ব্যয়ের জন্য কমিটির অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
ধারা 63: ৫০,০০০ টাকার বেশি যেকোনো ব্যয়ের জন্য তত্ত্বাবধায়ক পরিষদের অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
ধারা 64: সকল চাঁদা মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ/নগদ/রকেট) বা ব্যাংক ট্রান্সফারে গ্রহণ করতে হবে — নগদ লেনদেন যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।
ধারা 65: প্রতিটি লেনদেনে স্বয়ংক্রিয় রসিদ/ট্রানজেকশন আইডি সংরক্ষণ করতে হবে।
ধারা 66: সংগঠনের পাবলিক পেজ বা ওয়েবসাইটে মাসিক আর্থিক সারসংক্ষেপ প্রকাশ করতে হবে।
ধারা 67: মাসিক কমিটি সভা: প্রতি মাসে পরিচালনা কমিটির বাধ্যতামূলক সভা। কার্যবিবরণী সংরক্ষণ আবশ্যক।
ধারা 68: ত্রৈমাসিক সাধারণ সভা: প্রতি তিন মাসে সকল সদস্যের উন্মুক্ত সভা। আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপন।
ধারা 69: বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM): প্রতি বছর একবার অনুষ্ঠিত হবে। বার্ষিক হিসাব, কার্যক্রম মূল্যায়ন ও পরবর্তী বছরের পরিকল্পনা উপস্থাপন।
ধারা 70: জরুরি সভা: যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে তত্ত্বাবধায়ক পরিষদ বা সভাপতির আহ্বানে।
| বিষয় | প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা |
|---|---|
| কমিটি সভার কোরাম | মোট কমিটি সদস্যের কমপক্ষে ৫০% + ১ |
| সাধারণ সভার কোরাম | নিবন্ধিত সদস্যের কমপক্ষে ২৫% |
| সাধারণ সিদ্ধান্ত | উপস্থিত সদস্যদের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় |
| গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত | দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় |
| সংবিধান সংশোধন | নিবন্ধিত সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনে + তত্ত্বাবধায়ক পরিষদের অনুমোদনে |
ধারা 76: সাধারণ সভার কমপক্ষে ৭ দিন আগে সদস্যদের নোটিশ দিতে হবে।
ধারা 77: বার্ষিক সাধারণ সভার কমপক্ষে ১৫ দিন আগে নোটিশ দিতে হবে।
ধারা 78: নোটিশ ইমেইল, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বা সংগঠনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেওয়া যাবে।
ধারা 79: প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় সংগঠনের শাখা কার্যালয় স্থাপন করা যাবে।
ধারা 80: শাখা গঠনের জন্য সেই এলাকায় কমপক্ষে ১৫ জন সক্রিয় সদস্য থাকতে হবে।
ধারা 81: শাখা পরিচালনা কমিটি (সভাপতি, সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষসহ) সেই শাখার সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবে।
ধারা 82: প্রতিটি শাখার কেন্দ্রীয় সংগঠনের সাথে একটি লিখিত সমঝোতা স্মারক (MOU) সম্পাদন করতে হবে।
ধারা 83: শাখা কমিটি কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে প্রতি তিন মাসে প্রতিবেদন দিতে বাধ্য।
ধারা 84: শাখার আর্থিক কার্যক্রম কেন্দ্রীয় আর্থিক নীতি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
ধারা 85: শাখা কমিটির মেয়াদ কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ — ২ বছর।
ধারা 86: অনিয়ম বা নিষ্ক্রিয়তার কারণে কেন্দ্রীয় কমিটি যেকোনো শাখা স্থগিত বা বিলুপ্ত করতে পারবে।
- নিজস্ব এলাকার সামাজিক সমস্যা চিহ্নিত করে স্থানীয় কার্যক্রম গ্রহণ।
- স্থানীয় পর্যায়ে অনুদান সংগ্রহ (কেন্দ্রীয় নিয়ম মেনে)।
- কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে নতুন কর্মসূচির প্রস্তাব পেশ করা।
ধারা 87: সকল সদস্য পরস্পরকে সম্মান করবেন। জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ, বয়স বা অর্থনৈতিক অবস্থার ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য বা হেয় করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ধারা 88: সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ধারা 89: সামাজিক মাধ্যমে সংগঠনের নাম বা অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।
ধারা 90: সংগঠনের গোপনীয় তথ্য বাইরে প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।
ধারা 91: যেকোনো আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
ধারা 92: তিন সদস্যের একটি শৃঙ্খলা কমিটি থাকবে — একজন তত্ত্বাবধায়ক পরিষদের প্রতিনিধি, একজন সিনিয়র সদস্য ও একজন নিরপেক্ষ উপদেষ্টা।
| অপরাধের মাত্রা | শাস্তির বিধান |
|---|---|
| লঘু অপরাধ | মৌখিক/লিখিত সতর্কতা প্রদান। |
| মধ্যম অপরাধ | ৩–৬ মাসের জন্য অধিকার স্থগিত ও বিশেষ কার্যক্রম থেকে বিরত। |
| গুরুতর অপরাধ | স্থায়ী বহিষ্কার। তত্ত্বাবধায়ক পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন। |
- অভিযোগকারী লিখিত অভিযোগ সাধারণ সম্পাদক বরাবর দাখিল করবেন।
- সাধারণ সম্পাদক ৩ কার্যদিবসের মধ্যে শৃঙ্খলা কমিটিকে অবহিত করবেন।
- শৃঙ্খলা কমিটি অভিযুক্তকে শুনানির সুযোগ দিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে রায় দেবে।
- রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে — তত্ত্বাবধায়ক পরিষদের কাছে, ৭ দিনের মধ্যে।
- তত্ত্বাবধায়ক পরিষদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও বাধ্যকর।
রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ বিশ্বাস করে প্রশংসা ও স্বীকৃতি মানুষকে আরও বড় কাজে অনুপ্রাণিত করে। তাই প্রতি বছর নিম্নোক্ত পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হবে:
| পুরস্কারের নাম | প্রদান করা হয় যাকে |
|---|---|
| সেরা সদস্য পুরস্কার | যিনি সবচেয়ে বেশি কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন ও অবদান রেখেছেন। |
| সেরা স্বেচ্ছাসেবক পুরস্কার | যিনি নিরলস সেবা দিয়েছেন সদস্যপদ ছাড়াও। |
| সেরা নতুন সদস্য পুরস্কার | যিনি যোগদানের প্রথম বছরেই উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। |
| সেরা শাখা পুরস্কার | যে শাখা সবচেয়ে সক্রিয় ও কার্যকর ছিল। |
| বিশেষ মানবতা পুরস্কার | মানবিক সংকটে অসামান্য সেবা প্রদানের জন্য। |
| জীবনকাল সম্মাননা | সংগঠনের দীর্ঘমেয়াদী অবদানের স্বীকৃতিতে বিশেষ সম্মাননা। |
ধারা 96: সম্মাননা হবে — ক্রেস্ট, সনদপত্র, বিশেষ উপহার বা বৃত্তি।
ধারা 97: বিজয়ীদের নাম তত্ত্বাবধায়ক পরিষদ কর্তৃক বার্ষিক সাধারণ সভায় ঘোষণা করা হবে।
ধারা 98: সকল পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম স্থায়ীভাবে সংগঠনের ওয়েবসাইট ও বার্ষিক প্রতিবেদনে সংরক্ষণ করা হবে।
ধারা 99: সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব যেকোনো সক্রিয় সদস্য লিখিতভাবে সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে পরিচালনা কমিটিতে পেশ করতে পারবেন।
ধারা 100: প্রস্তাব পরিচালনা কমিটির পরবর্তী সভায় আলোচনার জন্য উপস্থাপন করতে হবে।
ধারা 101: কমিটির অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি সকল সদস্যকে ন্যূনতম ১৪ দিন আগে জানাতে হবে।
ধারা 102: বিশেষ সাধারণ সভায় নিবন্ধিত সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনে সংশোধনী গৃহীত হবে।
ধারা 103: তত্ত্বাবধায়ক পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর সংশোধনী কার্যকর হবে।
নিম্নোক্ত বিষয়গুলো কখনো পরিবর্তন করা যাবে না — এগুলো সংগঠনের মূল চেতনা ও অস্তিত্বের ভিত্তি:
| ক্রম | সুরক্ষিত বিষয় |
|---|---|
| ১ | সংগঠনের অরাজনৈতিক ও অলাভজনক চরিত্র |
| ২ | সদস্যদের ভোটাধিকার |
| ৩ | আর্থিক স্বচ্ছতার বাধ্যবাধকতা |
| ৪ | তত্ত্বাবধায়ক পরিষদের অস্তিত্ব |
ধারা 104: সংগঠন বিলুপ্ত করতে হলে তত্ত্বাবধায়ক পরিষদ ও পরিচালনা কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এবং নিবন্ধিত সদস্যদের তিন-চতুর্থাংশ সমর্থন প্রয়োজন।
ধারা 105: বিলুপ্তির ক্ষেত্রে সংগঠনের সমস্ত সম্পদ সমাজের কোনো বৈধ দাতব্য প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তর করতে হবে — কোনো সদস্য ব্যক্তিগতভাবে কোনো সম্পদ নিতে পারবেন না।
এখানে কোনো ছোট-বড় নেই। এখানে মেধা, নিষ্ঠা ও মানবতাই পরিচয়। এই সংগঠনে যোগ দিন — দেশের জন্য কিছু করার সুযোগ নিন।
আমাদের পথ দীর্ঘ, কিন্তু একসাথে হাঁটলে এই পথ সুন্দর।
এই সংবিধান রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ-এর তত্ত্বাবধায়ক পরিষদ, উপদেষ্টা পরিষদ ও পরিচালনা কমিটির সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত এবং সদস্যদের সাধারণ সভায় অনুমোদিত হয়েছে।
|
সভাপতি
রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ
স্বাক্ষর:
তারিখ:
|
সাধারণ সম্পাদক
রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ
স্বাক্ষর:
তারিখ:
|
কোষাধ্যক্ষ
রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ
স্বাক্ষর:
তারিখ:
|
রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ (RDB) | দেশ ও মানুষের কল্যাণে